Monday, March 12, 2018

ফরেক্স ব্রোকারের পার্টনারশীপ || Forex Broker Partnership || Bangla Mail 21






ফরেক্স ব্রোকারের পার্টনাশীপ


Bangla Mail 21

আপনাদের এর আগে ব্রোকার নিয়ে আমার সীমিত জ্ঞান দিয়ে কিছু বিষয় বস্তু আলোচনা করেছিলাম। এবারের পোষ্টটি একটু আলাদাভাবে উপস্থাপন করছি আপনাদের বোঝার জন্য। একটি ব্রোকারের পার্টনারশিপ এ যা যা থাকে আজ সেটাই আলোচনা করব।

পার্টনারশিপ এ যা থাকে তা নিম্নরূপ :

1. আইবি।
2. এ্যাফিলিয়েট।
3. রেজিওনাল রিপ্রেজেন্টটেটিভ।
4. রিপ্রেজেন্টটেটিভ।
5. রিবেট
6. রেফার এ ফ্রেন্ড।
7. ডায়েলার।
8. হোয়াইট লেবেল।


1. আইবি : 

Forex Broker Partnership
আইবি মানে হচ্ছে Introducing Broker. যে কেও আইবি একাউন্ট করতে পারে যেকোনো ব্রোকার এ। এর জন্য ডিপোজিট এর প্রয়োজন পরেনা। ব্রোকারের পার্টনারশিপ অংশে গিয়ে একাউন্ট ওপেন করলেই হয়। এতে সামান্য কিছু শর্ত থাকে। যেমন - আপনার কতজন ক্লায়েন্ট আছে এবং ডিপোজিট কত হবে। আপনি কোন পদ্ধতিেত ক্লায়েন্ট আনবেন এবং আপনার কোন অফিস আছে কিনা। এইসব। ব্রোকার আইবিদের স্পেড কমিশন এর ২৫%-৬০% পর্যন্ত কমিশন দেয় যা আপনি ট্রেড করলে আইবি একাউন্ট হোল্ডার কমিশন পায়। এখন আসা যাক আইবি আসলে ভাল না খারাপ। আমরা আসলে মনে করি আইবি মানেই খারাপ বিষয়টি মোটেও ঠিক না। কিন্তু বাংলাদেশে এটা এমএলএম বানিয়ে ফেলছে এক ধরনের লোজার ট্রেডাররা। মানুষকে ভুলিয়ে ভালিয়ে বাই এবং সেল মারা শিখিয়ে ডিপোজিট করাচ্ছে। আর যে ব্যাক্তি ডিপোজিট করচ্ছে সে দুই একদিনেই একাউন্ট জিরো বানিয়ে ফরেক্স কে দোষারুপ করচ্ছে। 

এটা মূলত হচ্ছে আমাদের দেশে ফরেক্স এ লিগ্যাল পারমিট না থাকার ফলে। যদি লিগ্যাল পারমিট থাকত তাহলে ভালো ইন্সটিটিউট থাকত যেখানে আমরা ভালভাবে শিখতে পারতাম। 
আইবি আমার দৃষ্টিতে বাংলাদেশে খারাপ ই মনে করি কারন সামান্য কিছু ডলার পাওয়ার আশায় মানুষকে ফরেক্স সমুদ্রে ফেলে হাবুডুবু খাওয়াচ্ছে এটাও এক ধরনের চিটিং। তাই চিটিংবাজ দের থেকে সাবধান । অনেকে আবার খুব ভাল জানে ফরেক্স সম্পর্কে তাদের কাছে যাওয়ার সুযোগ মানুষ কমই পায়। অনেকে ফরেক্স ফ্রি শিখার আশায় গিয়ে ধরা খায় । যাই হোক আইবি ম্যানদের চেয়েও বাংলাদেশে বিগ বিগ চিটার রয়েছে যা আমরা হোয়াইট লেবেল এ জানবো।

আইবি ভাইদের আমার পক্ষ থেকে একটা উপদেশ থাকলো - আপনারা আগে ভালো করে ফরেক্স টা টাকা দিয়ে শিখেন তারপর কাউকে শেখান এতে আপনার ক্লায়েন্ট মার্কেটে টিকে থাকবে আপনিও ভাল কমিশন পাবেন। চকলেট কামর দিয়ে না খেয়ে চুষে চুষে খান।

2. এ্যাফিলিয়েট

এটা আর আইবি একই শুধু পার্থক্য হল এ্যাফিলিয়েট এর জন্য ওয়েব সাইট লাগে।

3. রেজিওনাল রিপ্রেজেন্টটেটিভ

এটা একটা শহর ভিওিক হয় যেমন আপনার একটা অফিস আছে সিলেট এ সেখানে আপনি ফরেক্স শিখান সেই অঞ্চলবাসীর অঞ্চলপ্রধান আপনি। কমিশন আইবি একাউন্ট এর মতই। এটার জন্য আপনার ওয়েবসাইট লাগবে। মাসে একটা ডিপোজিট টার্গেট থাকবে।

4. রিপ্রেজেন্টটেটিভ

এটা সারা দেশব্যাপী। এটার জন্য আপনার ওয়েব সাইট লাগবে এবং অফিস লাগবে । যদি আপনি বাংলাদেশের রিপ্রেজেন্টটেটিভ হন এবং যেই ব্রোকারের হবেন সেই ব্রোকারের সকল একাউন্ট, আইবি আপনার আইবি এর আনডারে থাকবে । মাসে আপনার একটা ডিপোজিট টার্গেট থাকবে। আপনি সকল একাউন্ট থেকেই একটা আইবি কমিশন পাবেন।

5. রিবেট

আপনি ট্রেড করলে যে কমিশনটি আইবি বা ব্রোকার পায় সেখান থেকে কমিশনের কিছু অংশ আবার আপনার MT4 একাউন্ট এ দেয়ার নাম হল রিবেট।

6. রেফার এ ফ্রেন্ড

আপনি কাউকে একাউন্ট খুলে ডিপোজিট করালে সেখান থেকে একটা অংশ আপনি পাবেন। এটার জন্য আপনার আইবি একাউন্ট এর দরকার নেই। ব্রোকার কে মেইল দিলেই কমিশনটা আপনার Mt4 একাউন্ট এ দিয়ে দিবে।

7. ডায়েলার 

এটা একটু ভয়ংকর । জুয়া টাইপের। ব্রোকারের কাছে ডিল কিনে নেয়া। এটা পুরাই জুয়া। এটা আমি আর আপনি চাইলে পারব না। এটা ইন্সটিটিউট বা মার্চেন্ট ব্যাক্তিরা ডিল করে থাকে।

8. হোয়াইট লেবেল

উপরের বিষয় গুলি থেকে এটা ভয়ংকর। অথচ আমরা বাংগালী জাতি এটাতেই প্রবেশ করে থাকি এটা একটা ব্রোকারের রূপ আর একটি ব্রোকার। এটার মাধ্যমে মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে যাদের আপনারা ফরেক্স গুরু বলে অন্ধ বিশ্বাস করেন তারা। আসুন আলোচনা করি কিভাবে কি!

হোয়াইট লেবেল নিতে যা লাগে ?

1. ওয়েব সাইট
2. এগ্রিমেন্ট
3. মেটাট্রেডার চার্জ ১০০০$ প্রতি মাসে। (ওইনডোজ)
4. মেটাট্রেডার চা্জ ৫০০$ প্রতি মাসে। ( মোবাইল)
5. প্রতি লট এ ৩$-৫$ ব্রোকার কে দিতে হবে।

ব্যাস এই টুকুই খরচ আপনার। হয়ে গেল আপনার ব্রোকার। এখন আপনি হলেন কান্ট্রি ডিরেক্টর । বাংলা একাউন্ট ম্যানেজার দিতে পারবেন। আপনি নিজেই মার্রকেট মেকিং করতে পারবেন।

A Book এবং B Book দুই টাইপের একাউন্ট করতে পারবেন।

1. A Book ( ECN)
2. B BOOK ( Market Maker)

A Book (ecn) এই তাইপের একাউন্ট ব্রোকার নিজে মেইনটেইন করবে আর
B Book একাউন্ট আপনি নিজে মেইনটেইন করবেন।

আমরা জানি ৯৭-৯৮% ট্রেডার লস করে।

এবার আসি কারা করে বাংলাদেশে হোয়াইট লেবেল এর বিজনেজ এবং লাভ কেমন।

মাসে যদি ১০০০ লট হয় তাহলে স্পেড কমিশন আসে এভারেজ ২৫০০০$ খরচ - ৩০০০$- বা ৫০০০$ + ১০০০$+৫০০= ৪৫০০$ থেকে ৬৫০০$ তাহলে ১৯০০০$-২০০০০$ ডলার মাএ ১০০০$ লট এই ইনকাম তাদের আর B BOOK একাঊণ্ট তো আছেই। সেখানে আপনি যা লস করবেন পুরাতাই তাদের লাভ।

শুধু এইতুকু বলতে পারি আপনার ফান্ড কে লস করানোর ফাদ ৯৯ টা তাদের কাছে মাএ ১ ওয়ে আপনার হাতে ফান্ড সেভ করার।

তারা আপনাকে হাজারো মটিভেশনাল কথা বলে আকৃষ্ট করবেই। তাদের চেলাপলার অভাব নেই।বাংলাতে কখনোই একাউন্ট ম্যানেজার হয়না। যদি হয় তাহলে ব্রোকারের হেড অফিস এ হয়। বাংলাদেশে হয়না। আমি ব্রোকারের নাম গুলি নিচে দিলাম। যেসব ব্রোকার এর হোয়াইট লেবেল আছে । বাংলাদেশে ফরেক্স ই ত লিগাল না আবার একাউন্ট মেনেজার। তবে দুই একজন আছে যারা এখানে বসেই জব করে। তাদের অফিসিয়াল Appointment letter আছে। হোয়াইট লেভেল থেকে ১০০ হাত দুরে থাকাই উত্তম। হোয়াইট লেবেল এর কি কি সমস্যা এবং ভালো কিছু ব্রোকারের লিস্ট সামনের পোস্ট এ দিব।

হোয়াইট লেবেল ব্রোকার এর লিস্ট :

1. Western fx
2. XM
3. Icm capital
4. Hotforex
5. Fxtm
6. Ironfx
7. octafx
8. Exness
9. Orbex
10. Robofx
11. Liteforex      ইত্যাদি।








No comments:

Post a Comment

Thanks Bro