Breaking News

এক ফরেক্স পীরবাবার গল্প | One Forex Pirabbar Story | Bangla Mail 21








এক ফরেক্স পীরবাবার গল্প


গতকালই স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম যে এক পীরবাবার গল্প শুনাবো, যদি সময় হয় তো…পীরবাবার ফুতে নাকি টাকা ও ডলার হইয়া যায়। হেতের আঙ্গুলের ইশারায় নাকি ফরেক্স মার্কেট উপ্রে উঠে আবার নিচে নামে !! কি কেরামতি রে ভাউ !!! … আমার সময় হয়েছে, তাই মনে করলাম উক্ত পীরবাবার গল্প আপনাদের কে বলি।

পীরবাবার নামটা আগে শুনুন তো… ফরেক্স পীরবাবা ডলার কেবলা ইলিয়ট হোসেন চার্ট-পুরী শাহী ট্রেন্ডলাইন ওরফে কুতুবে এলগো ফান্ডামেন্টালবাদি (টিপিখাইতেখাইতেওএসএলখায়াগেলাম হায়ঃ )
হাহাহাহা ! নামটা শুনেই আনমনে গালি দিয়েছেন গোটা দশেক, শিউর ! যাউজ্ঞ্যা, তার নামটা এমন হওয়ার রহস্য আছে, তার গল্পটা আপনাদেরকে বলি, বুঝতে পারবেন

সে যখন ফরেক্স মার্কেটে আসে, তখন মার্কেটে এদিকে ওদিকে খালি ফরেক্স স্কুল ! … স্টুডেন্ট থেইকা তখন টিচারের সংখ্যাই বেশি ! :P … মর জ্বালা। সবাই ই খালি শিখাইতে চায়। যাই হোক, উনি তখনো এই মার্কেটে শিশু। মানে “পীরবাবা” তখন “শিশুবাবা” Tongue … তো শিশুবাবা গেলেন এরকম এক স্কুলে… ওমা ! গিয়ে দেখেন সামান্য কিছু ইন্ডিকেটর এর কাজ শিখাইতে নাকি ১৫ হাজার টাকা চায় ! মেজাজ দেখায়া চলে আসলেন, ইউটিউব ঘাটলেন, ফোরাম থেকে ফোরামে চষে বেড়ালেন, যে কোন দেশের ভাল ট্রেডার দেখলেই ফ্যালফ্যাল করে তাকায়ে থাকতেন, চ্যাট করতেন, অনেক কিছু নিয়ে জিজ্ঞ্যাসা করতেন। তো কয়েকমাসের মধ্যে একটা বিষয় জানলেন। যে ফরেক্স মার্কেটে প্রফিট করতে হলে, রোবট-এর (এক্সপার্ট এডভাইজরের ) বিকল্প নাইজ্ঞ্যা।

তো বিভিন্ন ফোরামে ভাল ডেভেলপারের সাথে সখ্য থাকার কারনে তিনি রোবটের ডেমো কপি ফ্রি ফ্রি পাইতেন, আবার সেটা আরেক ডেভেলপারের কাছ থেকে ডি-কোডিং করাতেন রিয়েল মার্কেটের জন্য। এরকম শ’য়ে শ’য়ে রোবট আর ইন্ডিকেটর পেলেন, ট্রেড ও করলেন… ডেমো তে তো ওগুলো প্রফিটে সবুজে সবুজ ! মাগার রিয়েলে গেলে লালে লাল ! লাল-সবুজে পুরাই বাংলাদেশ-এর স্পিকার হয়ে গেলেন ফরেক্স শিশুবাবা

উনি শিখলেন, রোবট শালার ভাওতা বাজ। সে রিয়েল মার্কেটের সেন্টিমেন্ট বুঝবে না, সে শুধু ক্যালকুলেশন করবে, আর এই মার্কেটে ক্যালকুলেশন সবসময় খাটে না। রোবট কে তিনি ইস্তফা দিলেন।

এরপর উনি দেখলেন, বাহারি ইন্ডিকেটর। উনি বুঝলেন, আইস্লা ! , পাইয়ালছি ! মেটাট্রেডারের ইন্ডিকেটর তো সবাই ইউজ করে, যেগুলো করে না, এবার ওইগুলা দিয়ে মার্কেটরে বশ করুম !
তো উনি বাহারি কাস্টম ইন্ডিকেটর এর পিছে লাগলেন। কোনটা এই মাসে প্রফিট দেয় তো, কোনটা আরেক মাস লস দেয়। এরপর ঐ স্ট্রাটেজি বাদ, আরেক স্ট্রাটেজির পিছনে লাগেন। এরকম করতে করতে মার্কেটের শিশুবাবা, যুবকবাবা হয়ে গেলেন :P !!

এতদিন মার্কেটে থেকে ডেমো ই করে গেলেন,একাউন্ট এক দিনে ৩ গুন করেছেন, দুই সপ্তাহে ১০০০ ডলার কে ১ মিলিয়ন ডলারেও নিয়ে গিয়েছেন (কি এক্সপেরিয়েন্স মাইরি !)… কিন্তু টানা ৬ মাস প্রফিট হল না তার। এক মাস বিরিয়ানি তো আরেক মাসে ফকিরনি :P …

তিনি বুঝলেন যে মার্কেটের কতিপয় এক এক্সপার্ট ট্রেডারের (!) কাছ থেকে সিগনাল নিলেও বুঝি অনেক লাভ সম্ভব। উনি সিগনাল নিলেনও … তাহাদের ও একই অবস্থা, এক মাস বিরিয়ানি তো আরেক মাসে ফকিরনি ,তো তিনি খটকা খেলেন এই ভেবে যে, তিনি এখনো মার্কেটের অনেক কিছুই জানেন না।



এক ফরেক্স পীরবাবার গল্প





তিনি দেখলেন যে ইলিয়ট ওয়েভ, চার্ট প্যাটার্ন,ফিবোনাচি, ট্রেন্ডলাইন,সাপ্লাই-ডিমান্ড,ফান্ডামেন্টাল,সেন্টিমেন্টাল, আরো কত কিছু যে আছে শিখার ! উনি তো নিজেই এত কিছু জানেন না, তিনি চিন্তা করলেন, আগে জানি সব, সব জানলে তখন আমার প্রফিট আটকাইব কেডায় ! :P …
আবারো ফোরাম থেকে ফোরামে, ট্রেডার থেকে ট্রেডারে, ইউটিউব থেকে টিউটরিয়ালে, এসব বিষয় নিয়ে ধীরে ধীরে শিখতে লাগলেন। তার এক বন্ধু ছিল তার সাথে, দুজন মিলেই নিকোটিনের পর নিকোটিন সেবনে, রাতের পর রাত জেগে, ভিডিও এর ভিডিও দেখে, ট্রেডারের পর ট্রেডারের সাথে সখ্যতা রেখে ধীরে ধীরে এসব বিষয় সম্পর্কে জানলেন। ততদিনে আড়াই বছর চলে গেছে, যুবকবাবা তখন মার্কেটের সবজান্তাবাবা হয়ে গেছেন… এখন শুধু জানলে তো হবে না, মার্কেটে এপ্লাই ও তো করে দেখতে হবে !

মার্কেটে ট্রেড নিতে গেলেন সব জেনে, একসাথে ৩-৪ টা স্ট্রাটেজি মিলায়ে এন্ট্রি নিলেন। প্রফিট হল অবশেষে টানা ৩ মাস ! আহ ! স্বস্তি ! মার্কেট যেদিকে যাইতে কয়, মার্কেট ঐখানেই যায়। আইস্লা ! ফিলিং পীরবাবা ! 

তবে পরের মাসেই বিশাল লস ! রিয়েল ব্যালেন্স ছিল, দুঃখটা বেশিই লাগল। ভাবলেন, এই মার্কেটেই থাকুম না শালার !! সব জেনেও যদি লস ই করি, তাইলে কেমনে কি ! কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিল আবার তার ওই বন্ধু।

বলল, দোস্ত , তুই সব জেনেও লস ই তো করলি, আজকে থেকে তোর নাম ফরেক্স পীরবাবা ডলার কেবলা ইলিয়ট হোসেন চার্ট-পুরী শাহী ট্রেন্ডলাইন ওরফে কুতুবে এলগো ফান্ডামেন্টালবাদি (টিপিখাইতেখাইতেওএসএলখায়াগেলাম হায় ঃ ) বলে হাহাহা করে হাসতে লাগলেন দুজনে। পিরবাবা হাসলেও ভেতরে ভেতরে তার পুড়ে ছারখার হওয়ার অবস্থা ! 

কিন্তু মার্কেটে যে জানার শেষ নাই, এটা তিনি বুঝলেন আরো কয়েক বাস বিরহ বেদনায় কাটানোর পর। উনি দেখলেন, মার্কেটে বিগ ফিশদের ৭০+% শেয়ার, মার্কেট তো তাদেরই দখলে, তো তাদের সেন্টিমেন্ট বুঝতে পারলেই তো হল… পীরবাবা আশার পালে হাওয়া লাগালেন।

আবারো ফোরাম থেকে ফোরামে, ট্রেডার থেকে ট্রেডারে, ইউটিউব থেকে টিউটরিয়ালে, এসব বিষয় নিয়ে ধীরে ধীরে গুতাইতে লাগলেন। এসময় আরেক বিদেশি পীরের সন্ধান পেলেন। উক্ত পীর যথেষ্ঠ উদারমনা (পীরবাবা নিজেও এতটা উদারমনা নয় ) । বিগ-ফিশদের সেন্টিমেন্ট কিভাবে কাজ করে, সেগুলো অকপটে বলে দিলেন। উল্লেখ্য উক্ত বিগ-ফিশবাবা নিজেও বার্ক্লেইস ব্যাঙ্কের ট্রেডার ছিলেন। তো যাই হোক, তার সান্নিধ্যে থেকে মার্কেটের বিগ-ফিশদের সেন্টিমেন্ট কিভাবে কাজে লাগানো যায়, এবিষয়ে পীরবাবা দক্ষ হলেন। বিগ-ফিশবাবা সতর্ক করে দিয়েছেন আগেই, যে সব জেনেছো ভাল কথা… কিন্তু এগুলো এপ্লাই কর, অভিজ্ঞ্যতা অর্জন কর, এরপর তুমি সাফল্য পাবে।
গুরুর কথাই মানলেন পীরবাবা। তার কথা মতই এপ্লাই করলেন। তিনি বুঝলেন তখন যে মার্কেটে সব সময়ই প্রফিট করার জন্য না। কারন বিগ-ফিশদের সেন্টিমেন্ট মার্কেটের একেক অবস্থায় একেক রকম হয়। তাই সুযোগ বুঝে ব্যাবস্থা নিতে হবে।

লসের পিরবাবা ধীরে ধীরে প্র্যাক্টিস করতে করতে প্রফিটের পীরবাবা হয়ে উঠলেন। ধীরে ধীরে অর্জিত অভিজ্ঞ্যতা আর পূর্বের সকল বিষয়ের জ্ঞ্যানই তাকে সাহায্য করেছিল। সে ঠিকই মার্কেট শুরু আগে বলে দিতে পারত কোন পেয়ার কোন দিকে যাবে, ডেইলি ৫০ থেকে ৮০ পিপ প্রফিট করা তার হাতের মোয়া হয়ে গিয়েছিল।

তার যে বন্ধু তাকে নাম দিয়েছিল “ফরেক্স পীরবাবা ডলার কেবলা ইলিয়ট হোসেন চার্ট-পুরী শাহী ট্রেন্ডলাইন ওরফে কুতুবে এলগো ফান্ডামেন্টালবাদি (টিপিখাইতেখাইতেওএসএলখায়াগেলাম হায় ঃ ) ” ……
সেই বন্ধুই একদিন বলল, দোস্ত, তোর নাম আমি চেঞ্জ করে দিলাম, আজ থেকে তোর নাম “ফরেক্স পীরবাবা ডলার কেবলা ইলিয়ট হোসেন চার্ট-পুরী শাহী ট্রেন্ডলাইন ওরফে কুতুবে এলগো ফান্ডামেন্টালবাদি (এসএল-খাইতেখাইতেও-টিপি-খায়াগেলাম হাহাহাহাঃ ) ” … বলে তারা আবারো হাসতে লাগল। ঐদিন পীরবাবার মনে স্বস্তির বাতাস বইল… 
     
                                                            অবশেষে……

এই ছিল ঐ পীরবাবার গল্প। এই ছিল আমার নিজের গল্প !! Smile
নিজেরে নিজেই নিশ্চয়ই পীরবাবা কইতাম না আমি। ওটা আমার ঐ বন্ধুই আমাকে এখনো ডাকে, তার ফোনেও আমার নাম ফরেক্স পীরবাবাই নামে সেইভ করা :P …
যাই হোক। আমার গল্পের সাথে মিল পাবেন এমন ট্রেডারের সংখ্যা অনেক। সেদিন দেখলাম কোন একটা গ্রুপে নতুন ট্রেডার ভাই পোস্ট দিয়েছেন কোন বিষয়ের দিকনির্দেশনার জন্য। আমার গল্প শেয়ার করার উদ্দেশ্য বলতে গেলে এটাইই।

আমি সবসময়ই বলি, ফরেক্সে জানার কোন শেষ নাই। আমি এখনও অনেক কিছুই শিখি প্রতিদিন, অনেকে কাছ থেকে। পুরানো অভ্যেস এখনো রয়ে গেছে রে ভাই। যাই হোক, এই শেখার ও জানার একাগ্রতা না থাকলে সুন্দর মত মার্কেটরে সালাম জানায়া লাগলে মুদির দোকান দিয়েন,তাও এই মার্কেটে আইসেন না।

এখন কথা হচ্ছে, জানবেন টা কি? দেখেন, মার্কেটের শিকড় হল ফান্ডামেন্টাল, সেন্টিমেন্টাল হল কান্ড, আর টেকনিকাল হল শাখা-প্রশাখা… আর এই সব যখন ঠিক থাকে, তখনই গাছে ফুল হয়, ফল হয়, মানে আপনার একাউন্টে প্রফিট হয়।

চিন্তা করেন, এমন কোন গাছ, যার শিকড় নাই… বা থাকলেও, কান্ড নাই… তবে কি ভালভাবে ফুল ফুটবে ? না…… ঠিক এজন্যই মার্কেটে যদি ট্রেডার হওয়ার জন্য আসেন, তো আপনাকে ফান্ডামেন্টাল+সেন্টিমেন্টাল+টেকনিকাল, এই তিন বিষয়ের যোগসাজশে এন্ট্রি নিতে হবে।
এবার আসি, এই তিনটা বিষয়ের জন্য কি কি শিখবেন ? ফান্ডামেন্টাল শিকড় বলেই, সেটা শিকড়ের মতই অনেক বেশি কমপ্লেক্স। তাই আমার মতে, আগে শিখুন টেকনিকাল। টেকনিকাল এনালাইসিস এর মধ্যে জানুন

– ইলিয়ট ওয়েভ
– চার্ট প্যাটার্ন
– ফিবোনাচি টুল ব্যাবহার
– ট্রেন্ডলাইন টুল ব্যবহার
– মার্কেটের টেকনিকাল সাপ্লাই-ডিমান্ড লাইন ড্র
– কোন স্ট্রাটেজি বা ইন্ডিকেটর (যা আপনাকে পার্ফেক্ট এন্ট্রি পয়েন্ট ও এক্সিট পয়েন্ট বলে দিতে সক্ষম)

এই বিষয়গুলো…

এরপর ফান্ডামেন্টাল আর সেন্টিমেন্টাল আসলে একে অপরের পরিপূরক… ফান্ডামেন্টাল জানার জন্য তাই ইকোনমিক্সের বই পড়তে হবে। মাইক্রো আর ম্যাক্রো, উভয় ইকোনমিক্সের সাধারন ধারনা অর্জন করতে হবে বই পড়ে (বিবিএ ও ইকোনমিক্সের এর স্টুডেন্টরা এসব আবার বেশ ভাল জানে)… আর সেন্টিমেন্টালের জন্য ব্লুমবার্গ টিভি, বিবিসি বিজনেস সহ আরো অনেক মিডিয়া আছে, যেগুলোর মাধ্যমে মার্কেটের ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের পয়েন্ট অফ ভিউ জানতে পারবেন সহজে।
এসবই শুধু জানলে তো হবে না “আয়ত্ত”ও করতে হবে। আর নিজে নিজে সব জেনে আয়ত্ত করতে মিনিমাম ২-৩ বছর তো লাগেই। কারন অনেক কমপ্লেক্স বিষয় আপনি হয়ত গুগলে পাবেন না সহজে, সেক্ষেত্রে মার্কেটের এক্সপেরিয়েন্স ট্রেডারদের জিজ্ঞ্যাসা করতে হবে। আর একারনেই বলি, ভাল ট্রেডারদের সম্মান দিতে শিখুন, এনাদের দেখবেন যৌক্তিক ও মানসম্মত প্রশ্ন করলে, এনারা কখনই আপনাদের নিরাশ করবেন না

আয়ত্ত তো করলেন, এবার সব থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় আপনাকে অর্জন করতে হবে। এটা আপনাকে কেউ দিয়ে দিতে পারবে না। আর সেটা হল “ অভিজ্ঞ্যতা ”। হ্যা, যা এতদিন জেনেছেন, আয়ত্ত করেছেন, এবার সেটা নিয়েই ট্রায়াল এরর করতে থাকুন মিনিমাম ২ বছর… ধীরে ধীরে আরো পাকাপোক্ত হবেন…কেন ২ বছর? কারন আপনি যদি কোন স্ট্রাটেজিতে টানা ২ বছর প্রফিট করতে পারেন, তো বুঝবে ওই একই স্ট্রাটেজিতে সামনের ২০ বছরও (যদি মার্কেটের পলিসি শিফট না হয় তো) প্রফিট করতে পারবেন…

এভাবে নিজে নিজে শিখতে চাইলে ৪-৫ বছর তো লাগবেই। আর জানার জন্য যদি কোন, অভিজ্ঞ্য ট্রেডারের কাছ থেকে শিখেন, তাইলে হয়ত আপনার ২ বছর বেচে যাবে, কিন্তু অভিজ্ঞ্যতার ব্যাপারটা, আপনাকে নিজেই নিজেই অর্জন করতে হবে।
এরপর আপনি রিয়েল মার্কেটে নামুন… …তখন ভাল মানি-ম্যানেজমেন্ট মেনে চললে, আর মাথায় বুদ্ধু খাটিয়ে ট্রেড দিলে, লস হোক লাভ হোক, আল্টিমেটলি মাস-শেষে প্রফিটই করতে পারবেন

আমি ঠেক খেয়ে খেয়ে শিখেছি, চাইলে আপনিও পারেন, অসম্ভব কিছুই না। খালি একাগ্রতা থাকতে হবে…

দেখবেন, একদিন একদিন আপনিও ফরেক্স পীরবাবা হয়ে গিয়েছেন, আপনার কথামত মার্কেট উঠছে আর নামছে :P … তবে সব না জেনে শুনে হুদাই সিগনাল মারতে থাকলে লাভ নাই… সব জেনে শুনে এন্ট্রি দিয়ে শেয়ার কইরেন… পাবলিক উপকৃত হবে……
নিজেরে পীরবাবা জাহিরও করতে যাইয়েন না হুদাই। আগে জানুন, বুঝুন, শিখুন, অভিজ্ঞ্যতা অর্জন করুন…এরপর দেখবেন, আপনার এনালাইসিস এর জন্য মানুষ জন একাগ্র চিত্তে অপেক্ষায় বসে আছে…… সত্যি বলছি, সেদিনই আপনি একজন ট্রেডার হয়ে উঠবেন… তার আগ পর্যন্ত আপনি কিন্তু দুধ-ভাত Tongue ……

নতুন ট্রেডারদের বলছি, পুরো প্রসেস ঠিকভাবে মেনে ফরেক্স এ থাকুন, টিকে থাকবেন…এরপর দেখবেন আপনার কাছে ফরেক্স খুব একটা কঠিন বিষয় মনে হবে না……আর পুরো প্রসেস ঠিকমত না মেনে মার্কেটে থাকবেন তো দেখবেন একদিন না একদিন পস্তাবেনই… আমি নিজে পস্তাইছি তো, আমি জানি…… Tongue … আর এজন্যই আপনাদের ভালর জন্যই এত কথা বলা… Smile
জ্ঞ্যানের পিছনে ছুটুন … অভিজ্ঞ্যতার পিছনে ছুটুন…লক্ষ্যে একাগ্র থাকুন…… . ডলার আপনার পিছনেই ছুটবে………


লেখাটা ভাল লাগলে শেয়ার করবেন অবশ্যই…যাতে করে, আমি যেভাবে এই মার্কেটে এসে পথভ্রষ্ট হয়েছিলাম, আর কোন নতুন ট্রেডার এসে যেন সেরকম পথভ্রষ্ট না হন………


সবাই ভাল থাকবে






No comments

Thanks Bro